পুরো সপ্তাহ জুড়ে এই থার্সডে দিনটার জন্য আমারা অধীর অপেক্ষায় থাকি। বৃহস্পতিবার আসার আগে থেকেই একটার পর একটা প্ল্যান এসে মাথায় ভিড় করে। কেউ বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয় আবার কেউ কখনো ঢাকার বাইরে চলে যায় অথবা পরিবারের সবার সাথে একটা ফ্যামিলি ডিনার করতে যায়। তবে সপ্তাহের এই দিনটা, যেখানে সমস্ত ক্লান্তির অবসান হয় আমার ইচ্ছে করে কাজ শেষে সময়টা বাসায় বসে কাটাই। কারন সপ্তাহের শেষ দিন হিসেবে আমরা কম বেশি সবাই খুব ক্লান্ত হয়ে যাই। বাইরে ঘুরে বেড়ানোর থেকে তাই ঘরে থার্সডে নাইট উৎযাপন করা বেশি আরামদায়ক। ভাবছেন ঘরে বসে থেকে আর কি করা যায়? আপনাদের জন্য তাই ঘরে বসেও থার্সডে নাইট কাটানোর কিছু মজার উপায় নিচে দেওয়া হল।

ঘরে বসে থার্সডে নাইটকাটানোর কিছু উপায় - Bangalista

bad res নতুন কিছু শেখা যায়

সপ্তাহের শুরুটা প্রোডাক্টিভ কিছু কাজ দিয়ে হলে মন্দ হয় না। নতুন কোন রেসিপি, মেকআপ অথবা হস্তশিল্প শিখে নেওয়া যায়। ইউটিউব এর উপস্থিতিতে আজকাল কিছু শিখতে হলে কোথাও গিয়ে কোর্স-এ ভর্তি হতে হয় না। গীটার, কীবোর্ড, ড্রয়িং এর মত ক্রিয়েটিভকাজ শিখার জন্য এখন ইউটিউবই যথেষ্ট।

থার্সডে নাইটকে মুভি নাইট বানানো যায়

আমার মত অনেকের কাছেই হয়তো থার্সডে নাইট মানেই মুভিনাইট। পরের দিনের জন্য ঘড়িতে কোন অ্যালার্ম সেট না করার মত আনন্দের আর কিছু নাই। তাই থার্সডেতে সারারাত মুভি মেরাথন করলেও কোন সমস্যা নাই। তাই সময় বেশি ব্যয় না করে ঝটপট একটা মুভির টাইপ ঠিক করে লিস্ট করে নাও। শুধু হরর মুভি দেখতে চাইলে বেস্ট হরর মুভি গুলো ডাউনলোড করে আর দেরি না করে স্ন্যাক্স নিয়ে বসে পড় কিছু চিলিং ও থ্রিলিং অভিজ্ঞতার জন্য।

বই পড়ে একটা চমৎকার সময় কাটানো যায়

পুরো সপ্তহের কাজের পর একটা শান্ত সুন্দর সময় কাটাতে কে না চায়। সপ্তাহের শুরুটা যদি হয় এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা এবং পছন্দের লেখকের একটা বই হাতে নিয়ে তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। এই অনুভুতি আগামী সপ্তাহেও অনুপ্রেরণা এবং মনোবল যোগাবে। নতুন বই না হলেও অনেক দিন আগের পড়া কোন পছন্দের বই পড়েও নস্টালজিক হয়ে যেতে পারলে মন্দ হয় না।

নিজের পুরনো শখগুলকে নতুন করে ঝালাই করা যায়

কাজ এবং কারিয়ারের মাঝে আমরা প্রায়ই নিজের শখগুলোকে ভুলে যাই, সময় দেয়া তো দূরে থাক। সপ্তাহের শেষ দিনটা তাহলে ভুলে যাওয়া পুরনো সেই শখগু্লোর জন্য উৎসর্গ করি। নতুন করে আবিষ্কার করি আবার পুরনো সেই আমি কে। যেমন যদি তোমার হ্যান্ডিক্রাফট-এর শখ থাকলে একটা অরনামেন্ট বক্স অথবা পুরনো ছবি দিয়ে একটা স্ক্র্যাপবুক অথবা ঘর সাজানোর জন্য শো-পিস বানাতে পারো। এতে সময়টাও ভাল কাটবে এবং উইকেন্ড এর শুরুটাও হবে প্রোডাক্টিভ।

আগামী সপ্তাহের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী গুছিয়ে নেওয়া যায়

সপ্তাহের শুরুতে যদি আগামী সপ্তাহের কাজ গুলোকে গুছিয়ে নেওয়া যায় তাহলে বাকি সপ্তাহটা আরও ভালভাবে কাটবে। তাই প্রথমেই কাজগুলোর প্রায়োরিটি অনুযায়ী একটা লিস্ট তৈরি করে নাও আর তারপর রিল্যাক্স হয়ে পুরো সপ্তাহটা উপভোগ কর। এতে কাজের মানও উন্নত হবে এবং প্রতিটি কাজ সময় মত শেষও হবে।

[thb_gap height=”50″]

Related Articles

[thb_gap height=”35″][thb_postcarousel style=”style3″ columns=”5″][thb_gap height=”50″][thb_instagram style=”style2″ columns=”5″ link=”true” column_padding=”false” low_padding=”false” number=”9″]