We spend majority of our life at work and with our colleagues. However, if the work environment isn’t stable, it takes a toll on us and makes us unproductive. Here are some ways on how to deal with work environment and stress.

sitios para conocer gente de ponts Zhashkiv চাকরীজীবি মানুষেরা একটা দিনের সিংহ ভাগ সময়ই পার করে অফিসের সান্নিধ্যে। নয়টা ছয়টা কাজের মধ্যে ঠিক মত বিশ্রামের সুযোগ হয়ে ওঠে না অনেকেরই। কেউ হয়ত পেয়ে থাকেন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার পরিবেশ। আবার অনেকেরই অফিসের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ হয়ে থাকে প্রতিকূল বা অসহযোগিতামূলক। হতে পারে তা ব্যবস্থাপনার ত্রুটি। হতে পারে তা সুপারভাইজারের অসমর্থনযোগ্য কিংবা অন্যায় আচরণ, কিংবা সহকর্মীর অসহযোগিতামূলক মনোভাব।

grey poker

https://allpeoplebrand.com/1198-cs40926-lucky-creek.html কর্মক্ষেত্রে নানান কারণে আপনি চাপের মুখোমুখি হতে পারেন। যা পরবর্তীতে প্রভাব ফেলতে পারে আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও। আপনি যদি মানসিকভাবে অশান্তি অনুভব করে থাকেন, এটি কিন্তু আপনার দৈনন্দিন কাজের রুটিনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করবে। কাজে ভুল হওয়ার পাশাপাশি খাওয়া, ঘুমানোর মত প্রয়োজনীয় কাজগুলোতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে।

cheaply william hill poker instant play তাই বলে হেরে গেলে তো চলবেনা! এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কিভাবে মনকে সুস্থ রাখবেন? জেনে নিন এক্ষুনি।

singles sachsen anhalt tag 2017 programm প্রথমত, কারো কোন আচরণ আপনার পছন্দ না হলে তাকে জানানোর কথা ভেবেছেন কি? কেননা, এই ধরনের ব্যবহারে আপত্তি না জানালে অনেকেই আপনার বিনম্রতার সুযোগ নিতে পারে অনেকভাবে।
তাছাড়া, খুটিনাটি বিষয়ে রাগ পুষে রাখলে পরবর্তীতে তা বিষম আচরণে রূপ নিতে পারে।

gdwon2 Sepatan এক্ষেত্রে, আপনি নম্রভাবে সরাসরি তাকে জানান যে, তাঁর কোন বিষয়ে আপনার সমস্যা হচ্ছে? এমন কোন পন্থা অবলম্বন করবেন না যাতে পরিস্থিতি বিব্রতকর না হয়ে পড়ে।

দ্বিতীয়ত, মানসিক সমস্যার ব্যাপারে আমরা তেমন সরব নই। ফলাফলস্বরুপ, নিগৃহীত হন অনেকেই।
আপনি যদি ডিপ্রেশন, অ্যাংক্সাইটি কিংবা অন্য কোন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে তা শেয়ার করুন আপনার সহকর্মীদের সাথে।

তবে খেয়াল রাখবেন যাতে আপনি নিজের ব্যাপারে স্পর্শকাতর কোন বিষয় শেয়ার না করেন। কেননা, এতে করে মন্দলোকেরা আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে!

তৃতীয়ত, অসমর্থনযোগ্য আচরণের ব্যাপারে অবশ্যই অফিসের ব্যবস্থাপনা কমিটি অবগত করুন।
তারা এক্ষেত্রে আপনাকে সার্বিক সহায়তা করবে এবং সমাধানমূলক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

চতুর্থত, অফিসের কাজকে বিদায় জানিয়ে আসুন অফিসেই। নিজেকে প্রাধান্য দিন সবকিছুর উপরে। কাজের ভারে নিজেকে নত করবেন না। অসুস্থতাবোধ করলে ছুটি নিন, সে হোক শারীরিক কিংবা মানসিক। সুযোগ পেলে ছুটি নিয়ে প্রিয়জনদের সাথে ঘুরে আসুন দূরে কোথাও।

কিন্তু, সবকিছুর পরেও অনেকসময় পরিস্থিতি প্রতিকুলে থাকে না। বহু লড়াইয়েও মিলে না সমাধান। ক্ষেত্রবিশেষে, কর্মস্থল পরিবর্তন করা ছাড়া উপায় থাকে না। এটি অনেক বড় একটি সিদ্ধান্ত যা প্রভাব ফেলতে পারেন আপনার অর্থনৈতিক অবস্থার উপর।

কিন্তু, জানেন কি? অসহযোগিতামূলক কর্মস্থলে দিনের পর দিন মানসিক অশান্তির সম্মুখীন হওয়াটা আপনাকে বিষণ্ণ করে তুলতে পারে। থমকে যেতে পারে আপনার স্বাভাবিক জীবনপন্থা! তাই পরিস্থিতির পরিবর্তন না ঘটলে সময় বুঝে চলে আসুন অসহনীয় পরিবেশ ছেড়ে।
  • Read more about how work environment affects mental health here.
  • Along with learning how work environment affects mental health, read this article on how to manage office and home to have a peace of mind here.